বৃহস্পতিবার | ৩০ জুলাই ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

জাতীয়

অবশেষে ছাত্রীকে তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করলেন প্রধান শিক্ষক

উচ্চকন্ঠ   26-Mar-2025   44

Photo

এস. এম. মিলন, রাজশাহী প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে একই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী দোলা আক্তারকে তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছেন। বুধবার সামাজিকভাবে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন মান্দা উপজেলার হাজীগোবিন্দপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী মণ্ডলের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, তার বাবা ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ায় তিনি বারবার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও তিনি একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিনা আক্তার পুতুলকে বিয়ে করেন। সে সময় তার সঙ্গে পুতুলের প্রেমের গুঞ্জন ওঠে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুতুলকে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন আকরাম হোসেন।
বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেনের সঙ্গে ছাত্রী দোলা আক্তারের সম্পর্কের কথা আলোচনায় ছিল। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে একাধিকবার বৈঠক হয় এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও তা উঠে আসে। তবে তিনি এসব তোয়াক্কা না করে সম্পর্ক চালিয়ে যান।
একজন শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষকের এমন আচরণের কারণে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অভিভাবকদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, ফলে তারা মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন।
একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ার সুবাদে আকরাম হোসেনের বাবা তার ছেলের অপকর্ম আড়াল করেন। ফলে বারবার ছাত্রীদের সঙ্গে কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটালেও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, মঙ্গলবার সকালে দোলাকে প্রধান শিক্ষক আকরামের প্রথম স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বাসায় নিয়ে যান তার অভিভাবকরা। পরে উপায় না দেখে বুধবার আকরাম তাকে সামাজিকভাবে বিয়ে করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন বলেন, আমি দোলাকে সামাজিকভাবে বিয়ে করেছি। অনেক আগেই তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বয়সের কারণে পারিনি। আমি একাধিক বিয়ে করতেই পারি, এতে কারও কিছু বলার অধিকার নেই।
প্রধান শিক্ষকের একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয়রা তার অপসারণ ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে বিদ্যালয় কমিটি ও প্রশাসনের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে।

office@ukantho.com


Photo

জিয়া পরিবারের অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ রাখবে: মাহমুদুর রহমান

এফএনএস: দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান বলেছেন, বেগম খালেদা...

Photo

মহেশপুরে বিজিবি’র অভিযানে ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার সহ ৫ বাংলাদেশী আটক

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে পৃথক তিনটি...

Photo

মহেশপুরে মানহানির অভিযোগ এনে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা সমন্বয়কের

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের মহেশপুরে প্রকাশিত...

Photo

অটোমেটেড যন্ত্রে আখের ওজন দু’এক ঘন্টায় টাকা পরিশোধ খুশি মোবারকগঞ্জ চিনিকলের আখচাষিরা

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত