বুধবার | ২৯ জুলাই ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

অপরাধ

নিয়োগে ঘুষের অভিযোগে রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বরখাস্ত

উচ্চকন্ঠ   26-Jul-2026   25

Photo

এফএনএস: আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে জনবল নিয়োগে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠায় রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ২০ জুলাই জনস্বার্থে মো. আনিছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের কথা জানানো হয়। এর পরদিন ২১ জুলাই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) ডিএম আতিকুর রহমানকে। কমিটিকে রাজশাহী অঞ্চলে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে ১৪৩ জন কর্মী নিয়োগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সরেজমিন তদন্ত করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া, অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন নির্বাচন কমিশন সচিবালয় দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার জন্য আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। একই দিন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ই-জিপির পরিবর্তে অফলাইনে ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড (ডিপিএম) অনুসরণের অনুমোদন দেয়। নির্দেশনায় ৩০ জুনের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা বলা হয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের জন্য ১৪৩ জন কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়। জনবল সরবরাহের কার্যাদেশ পায় কেএসএফ ট্রেড লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ জন চালক, ৬৯ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ৬৯ জন নিরাপত্তা প্রহরীসহ মোট ১৪৩ জন কর্মী সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগে থেকে কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ছিল। এ অনুযায়ী ১৩৭ জন কর্মরত কর্মীর তালিকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি ১৪৩ জনের চূড়ান্ত তালিকা জমা দিলে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে পর্যায়ক্রমে তাঁরা নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দেন। এর মধ্যে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে ঘুষ নেওয়া হয়েছে। তবে নিয়োগ পাওয়া কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। অস্থায়ী এই নিয়োগ পেতে কোনো টাকা দেননি বলেও দাবি করেন তাঁরা। কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম হোসাইন বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ও কেন্দ্রীয় অনুমোদনের ভিত্তিতেই আগের কর্মীদের বহাল রাখা হয়েছে। তাঁরা আলাদা কোনো তালিকা তৈরি করেননি; নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তালিকা অনুযায়ীই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের অগোচরে কেউ ব্যক্তিগতভাবে অর্থ লেনদেন করে থাকলে তার দায় প্রতিষ্ঠান নেবে না। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত নীতিমালা ও বিধিবিধান অনুসরণ করেই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম বা বিধিবিধানের ব্যত্যয় ঘটেনি।’

office@ukantho.com


Photo

রক্ত দিতে হলে সামনের সারিতে, ক্ষমতার প্রশ্নে খুঁজে পাওয়া যায় না: হাসনাত

এফএনএস: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত...

Photo

আগামী নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসে সবচাইতে ভালো নির্বাচন: প্রেস সচিব

এফএনএস: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, শান্তিপূর্ণ...

Photo

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন জাইমা

এফএনএস: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদার কবর জিয়ারত করেছেন তার নাতনি ও বড়...

Photo

লোহাগড়ায় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যাকান্ড

কাজী আতিকুর রহমান, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত