প্রিয় ঝিনাইদহ
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে লাঠি খেলা
উচ্চকন্ঠ 24-Nov-2025 68
হাবিব ওসমান, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহের শৈলকুপার রঘুনন্দনপুর গ্রামে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা। যা দেখতে ভীড় করে শত শত নারী-পুরুষ। কেউ প্রথমবার আবার কেউ অনেকদিন পর হারানো এই খেলা দেখে দারুণ উচ্ছ্বসিত। দর্শনার্থীদের পদচারণায় মূখর হয়ে ওঠে চারপাশ। তাইতো সকলে মিলে আনন্দ উপভোগ করতে এমন আয়োজন প্রতিবছর করার দাবি দর্শকদের।
রোববার বিকালে ঢাক, ঢোল আর কাসার ঘন্টার সঙ্গে নৃত্য আর অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করেন খেলোয়াড়রা। এরপর শুরু হয় মূল আকর্ষণ। দু’জন লাঠিয়াল বাদ্যের তালে ঝাঁপিয়ে পড়ে একে অন্যের উপর। আতœরক্ষার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে কাবু করতে মেতে ওঠেন তারা। প্রতিপক্ষের আঘাত প্রতিরোধে ব্যর্থ হলেই যেন আনন্দে ফেটে পড়ে দর্শকরা। গ্রামীণ ঐতিহ্য লাঠিখেলা দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকরা। শহুরে ব্যস্ত জীবন আর কর্মব্যস্ততায় অনেকের দেখা হয়না এমন আয়োজন। কেউ প্রথমবার আবার কেউ অনেকদিন পর হারানো এই খেলা দেখে দারুণ উচ্ছ্বসিত। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য নতুন উদ্যমে ফিরিয়ে আনতে ঝিনাইদহের শৈলকুপার রঘুনন্দনপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লাঠিখেলা। খেলাকে কেন্দ্র করে গ্রামটিতে শুরু হয় উৎসবের আমেজ। যান্ত্রিকতার আগ্রাসন আর ব্যস্ততায় ভূলতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্য লাঠিখেলা দেখতে ভীড় করেন নারী-পুরুষ ও শিশুরা। গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই আসে আতœীয়। সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের পদচারণায় মূখর হয়ে ওঠে রঘুনন্দনপুর গ্রামটি। তাইতো সকলে মিলে আনন্দ উপভোগ করতে এমন আয়োজন প্রতিবছর করার দাবি দর্শকদের।
দর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, অনেক দিন পর লাঠি খেলা দেখলাম খুব ভালো লাগলো। এমন আয়োজন প্রতিবছর হলে ভালো হয়। তাহলে প্রায় হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা বর্তমান প্রজন্মেও কাছে টিকে থাকবে আনন্দেও খোরাক হয়ে।
মফিজ মিয়া জানান, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা এখন আর তেমন একটা চোখে পড়ে না। তাই আমি আয়োজকদের বলবো এমন আয়োজন নিয়মিত করতে। তাহলেই গ্রামবাংলার ঐতিহ্য লাঠি খেলা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।
আয়োজক মনিরুজ্জামান সজীব জানান, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতেই আমি এমন আয়োজন করেছি। আশা করি আগামিতেও এমন আয়োজন করবো।
দিনভর লাঠি খেলার আয়োজনে অংশগ্রহণ করে ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার লাঠিয়ালরা। আর এমন আয়োজন প্রতিবছর করার দাবি স্থানীয় দর্শকদের।
office@ukantho.com