সোমবার | ১ জুন ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

রাজনীতি

ওষুধশিল্প নিয়ে সরকারের একপেশে নীতি ঝুঁকি তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

উচ্চকন্ঠ   13-Aug-2025   27

Photo

এফএনএস: দেশের ওষুধশিল্পে সংকট ও ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সম্ভাবনাময় এই শিল্প খাতে সরকার গৃহীত কিছু অস্বচ্ছ, একপেশে নীতিকৌশল ও নির্দেশনা এবং কিছু বিষয়ে নিষ্ক্রিয়তা এই খাত ঘিরে বিশেষ ঝুঁকি তৈরি করেছে। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, সম্প্রতি সরকার গঠিত ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটি (ডিসিসি), অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটি, ড্রাগ কন্ট্রোল কমিটির (ডিসিসি) টেকনিক্যাল সাব কমিটিতে বাংলাদেশ ওষুধশিল্প সমিতির কোনো প্রতিনিধি না রাখা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, ওষুধশিল্পের নীতি প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পেশাজীবীদের মতামত প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি ও শিল্প সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে যৌথভাবে সমাধান খুঁজে বের করাই হবে দেশের স্বার্থে শ্রেষ্ঠ পদক্ষেপ। মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা কোনোভাবেই শিল্প উদ্যোক্তাদের বাদ রেখে কোনো কমিটি গঠন, প্রণয়ন, পরিবর্তন সমর্থন করি না। সামনে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই খাতের সুরক্ষায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ওষুধশিল্প দেশের অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় শতভাগ পূরণ এবং একইসঙ্গে ধারাবাহিকভাবে রফতানি সম্ভাবনা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ খাত আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। বাংলাদেশে তৈরি মানসম্পন্ন ওষুধ এখন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ১৬০টিরও বেশি দেশে রফতানি হয়। আবার এই শিল্প খাত এপিআই (অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডেন্ট) উৎপাদনেও বিশেষ সক্ষমতা অর্জনের পথে এগিয়ে গেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত দিনে বিএনপির শাসনামলে দেশের স্বার্থে এই খাতের উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিশেষ করে ১৯৯৪ সালে ওষুধের প্রাইসিং পলিসি প্রণয়ন, ২০০২ সালে জাতীয় ওষুধ নীতি হালনাগাদ, ২০০৩ সালে ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ শক্তিশালীকরণ, ট্রিপস ছাড়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাশ্রয়ী জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন, নতুন ওষুধ নিবন্ধন, রফতানি প্রণোদনা প্রদান এবং গবেষণা ও দক্ষ জনবল তৈরিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এগুলো ছিল উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের সাফল্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা আরও একটি বিষয়ে জেনেছি, গত প্রায় দুই বছর ধরে নতুন কোনো ওষুধের নিবন্ধন দেওয়া হয়নি এবং একইসঙ্গে বিগত অনেক দিন ধরে ওষুধের মূল্য সমন্বয়ও করা হয়নি। আবার নতুন ওষুধের নিবন্ধন না দেওয়ার কারণে বাংলাদেশ ট্রিপস ওয়েভার হারাতে বসেছে। কেননা ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। এ অবস্থায় নতুন ওষুধের নিবন্ধন দ্রæততম সময়ে দেওয়া উচিত। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি আশা করে, কার্যকর সব পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে দেশের ওষুধশিল্পের স্থিতিশীলতা ও সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে সরকার এই খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে শিল্পবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণে এগিয়ে আসবে।

office@ukantho.com


Photo

বিভেদের রাজনীতি আর চাই না: মির্জা ফখরুল

এফএনএস: জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,...

Photo

আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বললেই গ্রেপ্তার: আসিফ মাহমুদ

এফএনএস: আওয়ামী লীগের পক্ষে ফেসবুক বা ইউটিউবে কথা বললেই গ্রেপ্তার করা...

Photo

ঝিনাইদহে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় পিতা পুত্রকে বেধড়ক মারধর করলেন মাদকসেবীরা

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহে মাদক সেবনকালে বাধা দেয়ায়...

Photo

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে প্রতিরোধে রাজপথে নামবে ছাত্রদল

এফএনএস: সরকার তাদের দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হলে ছাত্র-জনতা জুলাই-আগস্টের...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত