শুক্রবার | ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

প্রিয় ঝিনাইদহ

মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটসোর্সিং নিয়োগে ঘুষ দাবী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

উচ্চকন্ঠ   16-Oct-2026   22

Photo

বসির আহমেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক:ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটসোর্সিং পদের কর্মীদের পুনঃনিয়োগপত্র দেওয়াকে কেন্দ্র করে সীমাহীন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। পদে বহাল রাখা ও নতুন নিয়োগপত্র পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) মোছাঃ হেলেনা আক্তার নিপার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সিভিল সার্জন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর গ্রামের শাকিল আহম্মেদ ২০২২ সাল থেকে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘কুকমশালচি’ পদে কর্মরত। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি অর্থবাজেটে নতুন নিয়োগপত্র পাওয়ার বিধান থাকলেও ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে তাঁকে তা দেওয়া হয়নি। উল্টো নিয়োগপত্রের বিষয়ে কথা বলতে গেলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হেলেনা আক্তার নিপা তাঁর কাছে সরাসরি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে কাজে আসতে নিষেধ করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন। শুধু শাকিলই নন, হাসপাতালে কর্মরত ৮ জন আউটসোর্সিং কর্মচারীর সবার কাছেই নিয়োগপত্র নবায়নের নামে অর্থ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

জানা গেছে, আল ওয়াফা সিকিউরিটি সার্ভিসেস নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজশ করে মোটা অঙ্কের বাণিজ্যে মেতেছেন এই কর্মকর্তা। পান্না খাতুন নামের এক কর্মচারী ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে ‘আয়া’ থেকে ‘টিকিট ক্লার্ক’ পদে পদোন্নতিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে শিমু খাতুন নামের এক টিকিট ক্লার্ক ৪০ হাজার টাকা দিয়েও বাকি টাকা শোধ করতে না পারায় তাঁকে ছাঁটাই করে অন্যজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ওই কার্যালয়ের শিমু খাতুনের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জনের নাম ভাঙিয়ে ৮ কর্মীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে আদায়েরও মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে অশালীন ও আক্রমণাত্মক আচরণ করে মানসিক হেনস্তা করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ইতিপূর্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে কর্মচারীরা ঘুষ দাবির বিষয়টি জানালে মন্ত্রী কাউকে টাকা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মনিরুল ইসলামের ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তড়িঘড়ি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হেলেনা আক্তার নিপা দাবি করেন, “নিয়োগের সম্পূর্ণ বিষয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। এখানে আমার কোনো হাত নেই, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোঃ কামরুজ্জামান জানান, নিয়োগের বিষয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হলেও যদি কোনো উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অর্থ লেনদেন বা অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, আউটসোর্সিংয়ে টাকা লেনদেনের কোন সুযোগ নেই।

office@ukantho.com


Photo

হরিণাকুন্ডুতে ২ টি খাল সংস্কার কর্মসুচীর উব্দোধন

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার...

Photo

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন বিষয়ক ব্রিফিং এড়িয়ে এনজিও অনুষ্ঠানে ডিসি, ঝিনাইদহে সমালোচনার ঝড়

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহে সদ্য যোগদান করা জেলা প্রশাসক...

Photo

ঝিনাইদহে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: ‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম...

Photo

যশোরে মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের দায়ে যুবকের ১৪ বছরের কারাদন্ড

এফএনএস: যশোরের কেশবপুরে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের দায়ে...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত