প্রিয় ঝিনাইদহ
কে এই সুমন?
উচ্চকন্ঠ 18-Apr-2025 79
নিজস্ব প্রতিবেদক: কে এই সুমন? প্রশ্ন এখন কালীগঞ্জ পৌরবাসীর। সে তার অ্যাপাচি মোটরসাইকেলে চষে বেড়াচ্ছে সারা কালিগঞ্জ শহর। যেখানেই ট্রাক, পিক আপ, কাভার্ড ভ্যান সেখানেই তার সরব উপস্থিতি। ড্রাইভারদের কাছে একটি টোকেন স্লিপ ধরিয়ে আদায় করছেন ১০০ টাকা। ড্রাইভার সরকারি তালিকা অনুযায়ী ২০ টাকা দিতে গেলেই হুংকার ছেড়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন তিনি। অবাক বিস্ময়ে পথচারীরা হতবাক হয়ে যাচ্ছেন তার অশ্লীল ভাষণে। ড্রাইভারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক কথিত টোলের নামে হাতিয়ে নিচ্ছেন এ অবৈধ অর্থ। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে গত ১৭ ই মে শহরের একটি চালের আড়তে। এ সময় কথিত চাঁদাবাজ সুমন ১০০ টাকার একটি টোকেন স্লিপ দিয়ে আড়ৎদারের কাছে চাঁদা দাবি করেন। আড়ৎদার তাকে সরকারি নিয়মে ২০ টাকা দিতে গেলেই সে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। যা লেখার, বলার বা শোনার অযোগ্য। আড়ৎদার তাকে অশ্লিল ভাষা ব্যবহারের প্রতিবাদ করলে সে তার প্রতি মারমুখী আচরণ করে। এ সময় শত শত উৎসুক জনতা আড়তের সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করেন। আড়ৎদার চাঁদাবাজ সুমনকে থামিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে অবহিত আছে বললে চাঁদাবাজ সুমন আরো মারমুখী হয়ে ওঠে। সে কালীগঞ্জ বিএনপির ২ জন শীর্ষ জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও হামিদুল ইসলাম হামিদের নাম উল্লেখ করে এদের ঠাপা..... সময় নেই। এদের কাউকেই আমি গুনিনা বলে দম্ভক্তি প্রকাশ করে স্থান ত্যাগ করে। এ সময় আড়তে কালিগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টু উপস্থিত ছিলেন। যতদূর জানা গেছে গত পাঁচই আগস্ট এর আগে দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির কোন সভা সমাবেশে তাকে দেখা না গেলেও গত ৫ই আগস্ট এর পর থেকে সে অগ্নিমূর্তি ধারণ করে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে সুমন পৌরসভার আড়পাড়া কসাইখানা দখল করে মাদকের আড্ডা খানা গড়ে তুলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সঙ্গত কারণেই জনমনে রব উঠেছে, ভিক্ষা চাই না বাবা কুত্তা ঠেকা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে কথিত চাঁদাবাজ সুমন শালিকা উপজেলার পিপরুল গ্রামের আবুল বিডিয়ারের ছেলে। সে বর্তমানে পৌর এলাকার আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সুমনের চাঁদাবাজির হাত থেকে রেহাই পেতে এবং মান-সম্মান রক্ষায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং কালিগঞ্জ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
office@ukantho.com