প্রিয় ঝিনাইদহ
কালীগঞ্জ সোনালী ব্যাংকঃ গ্রাহক হয়রানী যেখানে নিত্যদিনের ঘটনা
উচ্চকন্ঠ 25-Jan-2026 83
নিজস্ব প্রতিবেদক: কাজীর গরু কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই। এমনই একটি সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের নাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সোনালী ব্যাংক পিএলসি। যেখানে গ্রাহক হয়রানি নিত্যদিনের ঘটনা। অসহায় গ্রাহকরা কর্মচারীদের দূর্ব্যবহার ও হয়রানিতে অতিষ্ঠ হলেও যেন দেখার কেউ নেই। এখানে দায়িত্বশীল হিসেবে একজন অযোগ্য-অদক্ষ ব্যবস্থাপক থাকলেও তিনি নির্বিকার। তার আচরণে সেই পুরানো দিনের একটি গানের কলি সবারই মনে পড়ে যায়, আমি চেয়ে চেয়ে শুধু দেখলাম আমার বলার কিছুই ছিলো না। গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন, সরকারী সকল কাজকর্ম সোনালী ব্যাংকে হবার কারণে প্রায় সবাইকেই এ ব্যাংকে যেতে হয়। কিন্তু গ্রাহকরা এ ব্যাংকে তাদের কাংখিত সেবা থেকে বঞ্চিত। কর্মচারীরা গ্রাহকদের সেবা না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে তাদেরকে বসিয়ে রেখে খোসগল্পে মত্ত থাকেন। ফলে ব্যাংকের এ শাখাটিতে সেকেন্ডের কাটা ঘোরে ঘন্টায়। ফলে অসহায় গ্রাহকেরা ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে ব্যাংকিং কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য হয়। গ্রাহকরা আরও অভিযোগ করেছেন। ক্যাশ সেকশনে প্রায় হাফ ডজন কর্মচারী থাকলেও তারা একে অপরকে দেখিয়ে দিয়ে নিজেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকেন। অন্যান্য সেকশনেও একই অবস্থা। এ ব্যাংকের সবাই যেন গ্রাহকদের একে অপরকে দেখিয়ে দিয়ে নিজে কাজ থেকে বাঁচার সুযোগ খোজেন। বর্তমান ডিজিটাল যুগে মানুষের দ্রæততম সময়ে সেবা পাবার অধিকার থাকলেও এ ব্যাংকে কোন গ্রাহককেই এক থেকে দুই ঘন্টার আগে কাজ সেরে ব্যাংক থেকে বের হওয়ার কোন সুযোগই নেই। ফলে গ্রাহকরা মন্তব্য করেছেন, এ ব্যাংকে কর্মচারীদের যেন রামরাজত্ব চলছে। তারা যা খুশি তাই করে চলেছেন। এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক ঝিনাইদহের ডিজিএম-এর সাথে আলাপ করলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।
office@ukantho.com