শনিবার | ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

প্রিয় ঝিনাইদহ

কালীগঞ্জে আ.লীগ নেতা নাসির চৌধুরীর লাইসেন্স নবায়নের দায়িত্ব নিলেন সাব রেজিস্টার

উচ্চকন্ঠ   19-Jan-2026   511

Photo

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়নে ব্যাপক অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে সাব রেজিস্টার রিপন মুন্সির বিরুদ্ধে। সরকারি নিয়মকে পাশ কাটিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা গ্রহন করেছেন তিনি। বিগত সরকারের আমলে রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ন্ত্রনকারী রাঘোবোয়াল সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন চৌধুরী, তার ভাই আহাদ আলী, ভাইরাভাই কামাল হোসেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুজ্জামান রাসেল, রবিউল ইসলাম মিন্টু সহ বেশ কয়েকজন লেখক দীর্ঘদিন বিভিন্ন মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে আত্মগোপনে রয়েছে। এমনকি তাদের নামে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি রয়েছে। সরকারি নিয়ম মোতাবেক দলিল লেখকদের লাইসেন্স প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত সরকারি ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে নবায়ন করার কথা থাকলেও লেখকদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য জেলা রেজিস্ট্রার এর খরচ বাবদ লাইসেন্স প্রতি ৩ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাব রেজিস্টার এর বিরুদ্ধে। অপরদিকে,সরকারি নিয়ম মোতাবেক একজন লেখকের লাইসেন্সে বছরে ৩০০ দলিল রেজিস্ট্রি না হলে ওই লাইসেন্স বাতিলের বিধান থাকলেও কালীগঞ্জ সাব রেজিস্টার এ আইন মানেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ি অত্র অফিসে ১৮ থেকে ২০ টি দলিল লেখক লাইসেন্স চলমান থাকার কথা। কিন্তু সাব রেজিস্টার অর্থনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য ৮০ জন দলিল লেখক রয়েছে। বিগত সরকারের আমলে বহুল আলোচিত দুদক সহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি নাসির চৌধুরীরসহ একাধিক দলিল লেখক বিগত দিনে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান ও আনোয়ারুল আজিম আনারের খুটির জোরে ধরাকে সরা জ্ঞান করে রাম রাজত্ব কায়েম করেছিল। রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি থেকেও তিন থেকে সাত গুণ অর্থ জোরপূর্বক আদায় করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল নাসির চৌধুরীর সিন্ডিকেট। যার দরুন নাসির চৌধুরী শত কোটি টাকার মালিক বনে যাই অল্প সময়ে। সেই দলিল লেখক নাসির চৌধুরীর গংদের লাইসেন্স নবায়নে দায়িত্ব পালন করছেন সাব রেজিস্টার রিপন মুন্সি। তলে তলে তাদের সাথে রিপন মুন্সির রয়েছে গোপন সখ্যতা। একাধিক লেখক জানান, বর্তমানে সাব রেজিস্টার রিপন মুন্সি নাসিরের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। এদিকে কবলা দলিলে স্থাপনা না দেখিয়ে ওয়ারেশ সূত্রে শতক প্রতি ২ হাজার, দাতা গ্রহীতার নামের প্রত্যায়নের গড়মিল থাকলে ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা, নামের ক্ষেত্রে ওরফে থাকলে ২০/৫০ হাজার টাকা, কবলা দলিলে সরকার নির্ধারিত এম এন ফিস ৩৬০ টাকা হলেও তিনি অতিরিক্ত ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং হেবার ঘোষণাপত্র দলিলে ৮০০ টাকার স্থানে ১২ শ টাকা আদায় করছেন। এছারাও দলিল প্রতি ১ হাজার টাকা অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছেন। টিপ সহি দিতে নিচ্ছেন ১০০ টাকা করে। বর্তমানে কবলা দলিলের পরিবর্তে দানপত্র দলিল করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েমোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অফিসের মধ্যে ঘুষের টাকা রাখতে ব্যবহার করছেন রেকর্ডরুম।
এ ব্যাপারে সাব রেজিস্টার রিপন মুন্সির মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নাসির চৌধুরীর আবেদন খালি রেখে ঝিনাইদহ জেলায় পাঠানো হয়েছে। নবায়নকারী ঝিনাইদহ জেলা রেজিস্টার স্যার,আমি না। নাসির চৌধুরীর সহ দলিল লেখকদের আবেদন আপনি কিভাবে হাতে পেলেন এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর তিনি দেননি। নবায়নে জন্য দলিল প্রতি তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত নেওয়ার কথাও অস্বীকার করেন তিনি। আমার অফিসে কোনো সিন্ডিকেট নেয়,সরকারি ফির অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়ার হয় না না বলেও তিনি বলেন।

office@ukantho.com


Photo

দেশে ফিরে দাদুর পাশে থাকতে চাই: ফেসবুকে প্রথম পোস্টে জাইমা রহমান

এফএনএস: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে...

Photo

গাজীপুরে বাস থেকে ফেলে শিক্ষার্থী হত্যা: বিচার দাবিতে সহপাঠীদের সড়ক অবরোধ

এফএনএস: গাজীপুরে ভাড়া নিয়ে বিতর্কের জেরে শিক্ষার্থী সিয়ামকে বাস থেকে...

Photo

ঈদে স্কুল-কলেজে ১৬, মাদরাসায় ২১ দিনের ছুটি

এফএনএস: ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে...

Photo

কালীগঞ্জ প্রেসক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সামসুল করিম ইমন, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ: পবিত্র মাহে রমজানে ঝিনাইদহের ঐহিহ্যবাহী...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত