বৃহস্পতিবার | ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

অপরাধ

মায়ের মাথা উদ্ধারের পর পাওয়া গেল মেয়ের মরদেহ: অভিযুক্তের বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনগণ

উচ্চকন্ঠ   09-Feb-2025   52

Photo

উচ্চকন্ঠ ডেস্ক: রংপুরের পীরগঞ্জে দেলোয়ারা বেগম (৩০) নামে এক নারীর বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধারের পর তার মেয়ে সাইমার (৫) মরদেহ পাওয়া গেছে। রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চতরা ইউনিয়নের বড় বদনাপাড়া গ্রামে মাটি খুঁড়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের বড় বদনাপাড়া গ্রামের শিম ক্ষেত থেকে পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সিআইডি রংপুর ক্রাইমসিন ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ টিম নিশ্চিত হয় ওই নারী নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম গোলমুন্ডা ফকিরপাড়া গ্রামের মৃত রবিউল ইসলামের মেয়ে দেলোয়ারা বেগম (৩১)। পীরগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর ওইদিনই মাথাটি উদ্ধারের জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালালেও সেটি উদ্ধার করতে পারেনি। পরে সিআইডি রংপুর ক্রাইমসিন ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ টিম ও পীরগঞ্জ থানা পুলিশের অনুসন্ধানে গত শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চতরা ইউনিয়নের বড় বদনাপাড়া গ্রামের মুনছুর আলীর (তারা মন্ডল) ছেলে আতিকুরকে (৪০) গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আতিকুর হত্যার দায় স্বীকার করলে গত শনিবার পুলিশ তাকে নিয়ে করতোয়া নদীর টোংরারদহ থেকে মস্তকটি উদ্ধার করে। এদিকে গ্রেপ্তার আতিকুর পুলিশ হেফাজতে ওই নারীর মেয়ে সাইমাকেও হত্যার দায় স্বীকার করে। পরে পুলিশ গতকাল রোববার আতিকুরকে নিয়ে বড় বদনাপাড়ায় গিয়ে তার বাড়ির পশ্চিম পাশে মাটির নিচ থেকে সাইমার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার আতিকুল ইসলামের বসতবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। রোববার দুপুরে উপজেলার চতরা ইউনিয়নের বড় বদনাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় লোকজন আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বড় বদনাপাড়া গ্রামে আতিকুলের বাড়িতে যান। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় তাঁরা আতিকুলের দ্রুত বিচার করে ফাঁসির দাবি জানান।
খবর পেয়ে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বড় বদনাপাড়া গ্রামে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। সেখানে আসে পীরগঞ্জ থানা পুলিশও। কিন্তু ততক্ষণে আতিকুল ইসলামের তিনটি টিনের ছাউনি ও বেড়া দেওয়া বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আতিকুলের বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের বড় বদনাপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মৃত মনসুর আলী। ওই বাড়িতে আতিকুলের মা আতিয়া বেগম (৫৫) ও তাঁর ছোট ভাই নাজমুল ইসলামের স্ত্রী পিংকি (২৫) থাকতেন। তাঁরা উভয়ে এখন থানা হেফাজতে রয়েছেন। নাজমুল বিদেশে থাকেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ ফারুক বলেন, মা-মেয়েকে হত্যার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা গ্রেপ্তার আতিকুলের বসতবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। এলাকার লোকজনকে শান্ত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।

office@ukantho.com


Photo

সাপের কামড়ে প্রান গেল সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রীর

জামির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাপের কামড়ে প্রান...

Photo

বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার লুট করলেন ছেলে

এফএনএস: নেত্রকোনায় নেশার টাকার জন্য বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার...

Photo

ঝিনাইদহ সীমান্তে বিএসএফের দফায় দফায় পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয়...

Photo

কালীগঞ্জে দেড় হাজার কৃষক পেল বিনামূল্যের কৃষি প্রণোদনা

হাবিব ওসমান, নিজস্ব প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত