প্রিয় ঝিনাইদহ
কালীগঞ্জে চিরকুট লিখে যুবতীর আত্মহত্যা
উচ্চকন্ঠ 21-Aug-2025 42
জামির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক: বাবা-মা কেউ নেই। ২০০৯ সালের ৩১ মার্চ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন রাজিয়া খাতুন। সেই থেকে লালন-পালন করছিলেন। পড়াশোনাও করছিল নার্সিং বিষয়ে। কিন্তু গত বুধবার সন্ধ্যায় গলায় গামছা পেচিয়ে আত্নহত্যা করে শামীমা নাসরিন (২২)। মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিরকুট লিখে রেখে গেছেন। ঘটনাটি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার বলিদাপাড়ার ওয়াফদা রোড এলাকায়। তার এমন মৃত্যু ও চিরকুট ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে নানা গুঞ্জন চলছে।
মৃত্যুর আগে শামিমা চিরকুটে লিখেছেন- এই পৃথিবীতে আমার কেউ নেই। যে ছিলো সে চলে গেছে। আমার আর অধিকার নেই এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার। আমার ইচ্ছের কোন দাম নেই। আমার মৃত্যু জন্য কেউ দায়ী নাহ। আমি ইচ্ছে করেই আমার এই জীবন শেষ করে দিলাম।
শামীমার পালিত মা রাজিয়া খাতুন বলেন, তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবিকা পদে চাকুরি করতেন। আড়াই বছর বয়সে ওর মায়ের কাছ থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন শামীমাকে। এরপর কেউ আর তার খোঁজ-খবর নেয়নি। ইতিমধ্যে পালিত মেয়েকে এইচএসসি পাশ করিয়ে নার্সিংয়ে ভর্তি করিয়েছেন। গত বুধবার সন্ধ্যায় সে আত্মহত্যা করেছে। তিনি আরো বলেন, শহরের ওয়াবদা রোডে তিনতলা বাড়ির নিচতলাতে থাকতো শামীমা। ওইদিন নিচতলায় কেউ না থাকায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল রিপোর্টে মেয়েটির শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
office@ukantho.com