সোমবার | ১ জুন ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

জাতীয়

পদত্যাগ করলেন বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন

উচ্চকন্ঠ   30-Jan-2025   42

Photo

এফএনএস: বিচার কাজের বাইরে থাকা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিচারপতির আচরণের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল। এ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের বিষয়ে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে অনুসন্ধান চলছে। তিনি প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে রোববার থেকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হবে বলে জানিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা। কিন্তু তিনি তাদের নাম প্রকাশ করেননি। তবে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রোববারের জন্য প্রকাশিত কার্যতালিকায় ১২ বিচারপতির নাম নেই। সেই বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি আতাউর রহমান খান, বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস, বিচারপতি খিজির হায়াত, বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান, বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম, বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন। গত ১০ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ডাকেই হাইকোর্টে জড়ো হন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তাদের দাবির প্রেক্ষাপটে ওইদিনই পদত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি। এরপর ১৫ অক্টোবর রাতে দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও করতে ফেসবুকে ঘোষণা দেন সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম। ১৬ অক্টোবর দুপুরে মিছিল নিয়ে হাইকোর্ট চত্বরে আসেন শিক্ষার্থীরা। সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে দক্ষিণ গেট দিয়ে ঢুকে তারা হাইকোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে অবস্থান নেন। সঙ্গে ছিলেন আরেক সমন্বয়ক সারজিস আলম। আদালত প্রাঙ্গণে হাসনাত-সারজিসসহ অন্য শিক্ষার্থীদের নানা শ্লোগান দিতে শোনা যায়। আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করে শিক্ষার্থীদের আরেকটি অংশ। এর সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের দলবাজ ও দুর্নীতিবাজ বিচারপতিদের পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকে বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ। এই কর্মসূচি চলার মধ্যে বেশ কিছু বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আলোচনার পর ১৬ অক্টোবর বিকেলে ছাত্রদের সামনে এসে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা। বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হিসেবে আপনাদের যে দাবি, আপনাদের যারা লিডার আমার চেম্বারে বসেছেন; দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি। পরবর্তী পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি। সঙ্গে আমার দুইজন সহকর্মী ছিলেন। আপনারা জানেন, বিচারপতি পদত্যাগ বা অপসারণের একটা প্রক্রিয়া আছে। বর্তমানে দেশে এ সংক্রান্ত কোনো আইন বিদ্যমান নেই। বিগত সরকার সংসদের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল। একটা সংশোধনী হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সেটা বাতিল করে দিয়েছেন। সরকার সেটা রিভিউ আকারে পেশ করেছে। আগামী রোববার সেটা প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগে শুনানি হবে। এক নম্বর আইটেমে রাখা হয়েছে সেটা। বিচারপতি অপসারণের বিষয়ে রেজিস্ট্রার জেনারেল বলেন, বিচারপতিদের পদত্যাগে আপনাদের যে দাবি, আসলে বিচারপতিদের নিয়োগকর্তা হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। পদত্যাগ বা অপসারণ; সেই উদ্যোগও রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে হয়ে থাকে। এখানে প্রধান বিচারপতির যেটা করণীয় উনি সেটা করেছেন। আপাতত ১২ জন বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। বেঞ্চ না দেওয়ার অর্থ হলো, আগামী রোববার যে কোর্ট খুলবে, তারা বিচার কাজে অংশ নিতে পারবেন না। এই মামলাটার শুনানি আছে ২০ তারিখে। অ্যাটর্নি জেনারেল প্লেস করবেন বলে আশা করছি। এর মাধ্যমে পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো শুরু হবে। আর বিচারপতি অপসারণের সঙ্গে এককভাবে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত না। রাষ্ট্রপতি, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাও জড়িত আছে। আপাতত ১২ জনকে বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে শুনানির মাধ্যমে বাকিগুলো আপনাদের সামনে আসবে। পরে সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিচারপতি অপসরাণের সংশোধনী নিয়ে মামলাটি চলমান। আগামী ২০ তারিখ ওই মামলায় যদি সমাধান চলে আসে, তাহলে বিচারপতি অপসারণের দায়িত্ব হচ্ছে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের। তাহলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিচারপতিদের পদত্যাগ করতে হবে। অপসারণ করা হবে। এখন রোববার বিকেল পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করবো। আমরা অবজার্ভ করবো। তাদের অপসারণের জন্য কী রায় আসে। তারপর হচ্ছে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ।

office@ukantho.com


Photo

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যা-মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ

এফএনএস: গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত গণহত্যা এবং...

Photo

ফেনীতে ভোট দেওয়ায় তালাকপ্রাপ্ত গৃহবধূর পাশে বিএনপি

এফএনএস: ফেনীতে স্বামীর নিষেধ অমান্য করে ভোট দেওয়ার অপরাধে তালাক দেওয়া...

Photo

নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

কাজী আতিকুর রহমান, নড়াইল জেলা প্রতিবেদক: নড়াইল সদর উপজেলায় অটোভ্যানের...

Photo

গণভোট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাঁ-না ক্যাম্পেইন

এফএনএস: জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট ইস্যুতে গত কয়েকদিন ধরেই দেশের জাতীয়...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত