অর্থনীতি
হাজার হাজার কর্মসংস্থান হবে: আশিক চৌধুরী
উচ্চকন্ঠ 08-May-2025 42
এফএনএস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান। এপি মুলার ৬০টি দেশে পোর্ট অপারেট করে। তারা বাংলাদেশে টার্মিনাল করলে হাজার হাজার কর্মসংস্থান হবে। আমরা ইতিহাস তৈরির সুযোগ আছে। বাংলাদেশকে ম্যানুফেকচারিং হাব করা সরকারের লক্ষ্য। লালদিয়া গ্রিন পোর্ট হবে। ৮০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। বিষয়টি খুবই সিরিয়াসলি ট্র্যাক করার চেষ্টা করছি’। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় পতেঙ্গা লালদিয়া টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শনে আসেন তিনি। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম ও উপ প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। পোর্ট ক্যাপাসিটি এখন লিমিটেড। ছয় গুণ করার পরও ভিয়েতনামের ধারে কাছেও যাব না। তাই এক্সপার্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া। যাতে কম জায়গায় বেশি অপারেশন করা যায়। আশিক চৌধুরী বলেছেন, সিঙ্গাপুর আমাদের একই সময়ে স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীন হয়ে তারা আজকে একটা কমপ্লিটলি ডিফারেন্ট লেভেলে চলে গেছে এবং সেটা চলে যাওয়ার পেছনে তাদের পোর্টের কন্ট্রিবিউশন সবচেয়ে বেশি। তারা তো একটা ট্রেডিং হাবে পরিণত হয়েছে। সুতরাং পিএসএর খুবই ভালো এক্সপেরিয়েন্স। তারা ওই এক্সপেরিয়েন্সটা নিয়ে আসবে, আমাদের সাথে বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো নিয়ে আসবে এবং আমরা এস্টিমেট করছি যে, এই পিএসএ এবং ডিপি ওয়ার্ল্ড রাফলি এক বিলিয়ন ডলার করে এই প্রজেক্টে ইনভেস্ট করবে। আমরা প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের মতো একটা ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্টের চেহারা দেখতে পাব। এটা গ্রাজুয়ালি আসবে। সো ওনাদের কনস্ট্রাকশন পিরিয়ডের মধ্যে ওনারা গ্রাজুয়ালি ইনভেস্ট করতে থাকবে এবং আমরা আশা করছি যে, ২০৩০ এর মধ্যে এই পোর্টগুলোকে চালু করতে পারব। আমাদের গেøাবাল ফ্যাক্টরি হতে হবে। বে টার্মিনাল চট্টগ্রাম এলাকার সবচেয়ে বড় প্রকল্প। এটা ফ্লাগশিপ প্রকল্প। এটা যখন হয়ে যাবে, তখন এই এলাকার চেহারা আমরা আশা করছি কমপ্লিটলি চেঞ্জ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, বে টার্মিনালে ২৫ হাজার লোকের যদি কর্মসংস্থান হয়, তাদের সাথে ২৫ হাজার ফ্যামিলি। তার মানে আমরা তো ইজিলি বলছি, এক লাখ লোক এ এলাকায় এসে থাকা শুরু করবে, এই এলাকায় কাজ করবে। তাদের বাসস্থান, তাদের চিকিৎসা, তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা এবং তাদের যে শিক্ষা, তাদের ফ্যামিলির এডুকেশনের যে পার্টটা, এই পুরা এই প্ল্যানিংটাও আমাদের ওভারঅল পিকচারের মধ্যে নিয়ে আসা উচিত। তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন যে আমরা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ফান্ডিংয়ে কিছু কাজ করছি। সরকার থেকে কিছু ফাইন্যান্সিং হচ্ছে। যেটা ব্রেক ওয়াটার হবে, সেটা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ফান্ডিংয়ে হবে। আর সেই সাথে এডিবি আমাদের সাথে কাজ করছে। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম ও উপ প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, এটাই হবে আসল সমুদ্র বন্দর। এখনি ১৩ মিটারের জাহাজ এসেছে পাশে। এটা যুগান্তকারী উন্নয়ন হবে। ২৫ হাজার সরাসরি কর্মসংস্থান হবে। এখানে চারটা টার্মিনাল করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইনিশিয়ালি আমাদের তিনটা এপ্রুভ হয়েছে। টার্মিনাল ওয়ান যেটা পিএসএ সিঙ্গাপুর করবে, টার্মিনাল টু যেটা ডিপি ওয়ার্ল্ড করবে এবং টার্মিনাল থ্রি আমরা ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে করব, যারা কম্পিট করে আসতে পারে। আরেকটা টার্মিনাল আমরা এনার্জি টার্মিনাল প্ল্যানে রেখেছি। আমাদের যে ক্যাপাসিটি, প্রায় ৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন টিইউএস ইজিলি করতে পারব। এটা হয়তো ৪ দশমিক ৫ এর উপরেও চলে যাবে, যদি আমরা এখানে আরো অফডক অন্যান্য ফ্যাসিলিটিসগুলো করতে পারি। গ্রাউন্ড ব্রেকিং এই বছরের শেষের দিকে হবে। ২০৩১ এর মধ্যে আমরা আশা করছি যে অপারেশনে যেতে পারব।
office@ukantho.com