মঙ্গলবার | ৩ নভেম্বর ২০২৬ ইং | বাংলা
Logo
ব্রেকিং নিউজঃ

জাতীয়

বাংলাদেশ বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মডেল: ধর্ম উপদেষ্টা

উচ্চকন্ঠ   21-Apr-2025   58

Photo

এফএনএস: ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বে সাম্প্রদায়িক স¤প্রীতির মডেল। এ দেশে সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের যে আবহ বিরাজ করছে, সেই আবহ আমাদের পাশ্ববর্তী কোনো রাষ্ট্রে খুঁজে পাওয়া যাবে না। সোমবার রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের ভ‚মিকা’ শীর্ষক ঢাকা জেলা কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ, কিছু সমস্যা আছে। মন্দিরে যেমন পাথর ছোড়ে আবার মাজারেও ভাঙচুর করে। জুলাই বিপ্লবপরবর্তী সময়ে বেশকিছু মন্দিরে যেমন হামলা চালানো হয়েছে, তেমনই ৫০টির বেশি মাজারে ভাঙচুর করা হয়। এমন ঘটনা যতটা না সা¤প্রদায়িক তার চেয়ে বেশি পলিটিক্যাল। এই ঘটনাগুলো নিয়ে বহির্বিশ্বেও প্রোপাগান্ডা চালানো হয়। তিনি আগামী দিনে সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যকে আরও মজবুত ও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, এ দেশে সবার অধিকার সমান। রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার পাবেন। এ দেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে জাতি হিসেবে আমাদের প্রতিটি অর্জনে সব ধর্মের মানুষের অবদান রয়েছে। শিষ্টাচার তৈরিতে ধর্মীয় ও পারিবারিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, পারিবারিক ঐতিহ্যের সঙ্গে ধর্মের সংযোগ ঘটলে শিষ্টাচার ফুলে ফুলে শতদলে শোভিত হয়। আমরা একটি নৈতিকতার পরিবেশ তৈরি করতে চাই। প্রত্যেকে তার ধর্মের মূল শিক্ষা সমাজে ছড়িয়ে দিলে দেশে নৈতিকতার আবহ তৈরি করতে হবে। তিনি মন্দিরভিত্তিক মানবিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান। প্রকল্পের শিক্ষকদের সম্মানী বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে ড. খালিদ বলেন, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের শিক্ষকদের সম্মানী বৃদ্ধি করা হলে এই প্রকল্পের শিক্ষকদের সম্মানীও বৃদ্ধি করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের চত্বরে যে শুচিতা ও স্নিগ্ধতা বিরাজ করে সেটা অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। আদিকাল থেকেই মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডার ছায়ায় শিক্ষা কার্যক্রম চলে আসছে। এখনও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় উপাসনালয় রয়েছে। প্রকল্প পরিচালক ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দের সভাপতি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার ও ট্রাস্টের সচিব দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও। মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (ষষ্ঠ পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। জিওবির অর্থায়নে ৩৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

office@ukantho.com


Photo

ঝিনাইদহে স্বামীর তালাবদ্ধ দোকানঘর থেকে স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

বসির আহাম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহে স্বামীর তালাবদ্ধ দোকানঘর...

Photo

কালীগঞ্জসহ তিন উপজেলার মানুষের ভরসা বাশের সাকো

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহ জেলার তিনটি উপজেলার মানুষের একমাত্র ভরসা...

Photo

নাটোরে ভুট্টাক্ষেতে মিললো ৭ বছরের শিশুর ঝলসানো লাশ

এফএনএস: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চান্দাই ইউনিয়নের গাড়ফা গ্রামের...

Photo

যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে মোটরসাইকেল নিয়ে গেলো দুর্বৃত্তরা

এফএনএস: সিলেটের গোয়াইনঘাটে সোহেল শাহরিয়ার (২৬) নামে এক যুবক দুর্বৃত্তদের...

© 2026 উচ্চকন্ঠ কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত